
নেত্রকোনা পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার। শহরটিতে কেবল প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলেই পড়ে সাড়ে ১৫ হাজারের বেশি শিশু। মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুদের যোগ করলে এই সংখ্যা আরও বহুদূর বিস্তৃত। অথচ এই বিশালসংখ্যক শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। ফলে অনন্যোপায় হয়ে শিশুদের বড় একটা অংশ আসক্ত হয়ে পড়ছে স্মার্টফোন ও ভার্চ্যুয়াল জগতের প্রতি, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পরিবারগুলো ছোট শিশুদের নিয়ে ছয় কিলোমিটার দূরের মহাসড়কের বাইপাস কিংবা জলাশয়ের পাড়ে পাড়ি জমাচ্ছে, যা চরম অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ।
উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জেলা বাজেটে প্রতিবছর শিশুপার্কের জন্য বরাদ্দ কিংবা জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে নানা সময়ে আশ্বাসের অভাব ঘটে না, কিন্তু বাস্তবায়নের মুখ দেখে না কোনো উদ্যোগই। এমনকি খেলাধুলা কিংবা সাঁতার শেখার মতো মৌলিক সুবিধা থেকেও এখানকার শিশুরা বঞ্চিত। সুশীল সমাজের প্রবীণ সদস্য ও শিশু সংগঠকেরা যথার্থই বলছেন—একটি পরিবেশবান্ধব শিশুপার্ক কেবল শিশুদের বিকাশই নিশ্চিত করে না, বরং কিশোর ও তরুণদের অপসংস্কৃতি ও সামাজিক বিপথগামিতা থেকেও রক্ষা করে।
নেত্রকোনা পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার। শহরটিতে কেবল প্রাথমিক ও কিন্ডারগার্টেন স্কুলেই পড়ে সাড়ে ১৫ হাজারের বেশি শিশু। মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুদের যোগ করলে এই সংখ্যা আরও বহুদূর বিস্তৃত। অথচ এই বিশালসংখ্যক শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। ফলে অনন্যোপায় হয়ে শিশুদের বড় একটা অংশ আসক্ত হয়ে পড়ছে স্মার্টফোন ও ভার্চ্যুয়াল জগতের প্রতি, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পরিবারগুলো ছোট শিশুদের নিয়ে ছয় কিলোমিটার দূরের মহাসড়কের বাইপাস কিংবা জলাশয়ের পাড়ে পাড়ি জমাচ্ছে, যা চরম অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ।
উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জেলা বাজেটে প্রতিবছর শিশুপার্কের জন্য বরাদ্দ কিংবা জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে নানা সময়ে আশ্বাসের অভাব ঘটে না, কিন্তু বাস্তবায়নের মুখ দেখে না কোনো উদ্যোগই। এমনকি খেলাধুলা কিংবা সাঁতার শেখার মতো মৌলিক সুবিধা থেকেও এখানকার শিশুরা বঞ্চিত। সুশীল সমাজের প্রবীণ সদস্য ও শিশু সংগঠকেরা যথার্থই বলছেন—একটি পরিবেশবান্ধব শিশুপার্ক কেবল শিশুদের বিকাশই নিশ্চিত করে না, বরং কিশোর ও তরুণদের অপসংস্কৃতি ও সামাজিক বিপথগামিতা থেকেও রক্ষা করে।
Source: https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/8ze3xembr2
প্রকাশক ও সম্পাদক : সুমন তানভীর
Copyright © 2026 প্রকাশ নিউজ. All rights reserved.