
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইংলিশ ক্লাবটি ৯৪৯.৯৪ মিলিয়ন পাউন্ড স্পনসরশিপ আয়ের তথ্য দেখিয়েছে নথিপত্রে। কিন্তু কমিশনের খতিয়ে দেখা হিসাব অনুযায়ী, সত্যিকারের স্পনসরদের অবদান ছিল মাত্র ১১৯.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড। বাকি ৮৩০.৬৯ মিলিয়ন পাউন্ডই স্পনসর আয়ের অজুহাতে নিজেদের পকেট থেকে যোগ করেছিলেন মালিকেরা, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরোপীয় ফুটবলের আর্থিক স্বচ্ছতা নীতি (এফএফপি) ফাঁকি দিতেই এই কৌশল নেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবগুলো নিজেদের অর্জিত আয়ের বেশি খরচ করতে পারে না। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটি তাদের প্রকৃত আয়ের চেয়ে কৃত্রিমভাবে বাজেট বহুগুণ বাড়িয়ে দেখায়। স্পনসরশিপের এই কারচুপির পাশাপাশি খেলোয়াড় ও কোচদের সঙ্গে গোপন চুক্তি এবং ইমেজ রাইটসের অর্থ গোপন করার বিষয়গুলো হিসাব করলে এই সময়কালে সিটির মোট আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৯২ কোটি পাউন্ডে।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ইংলিশ ক্লাবটি ৯৪৯.৯৪ মিলিয়ন পাউন্ড স্পনসরশিপ আয়ের তথ্য দেখিয়েছে নথিপত্রে। কিন্তু কমিশনের খতিয়ে দেখা হিসাব অনুযায়ী, সত্যিকারের স্পনসরদের অবদান ছিল মাত্র ১১৯.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড। বাকি ৮৩০.৬৯ মিলিয়ন পাউন্ডই স্পনসর আয়ের অজুহাতে নিজেদের পকেট থেকে যোগ করেছিলেন মালিকেরা, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
প্রিমিয়ার লিগ ও ইউরোপীয় ফুটবলের আর্থিক স্বচ্ছতা নীতি (এফএফপি) ফাঁকি দিতেই এই কৌশল নেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবগুলো নিজেদের অর্জিত আয়ের বেশি খরচ করতে পারে না। কিন্তু ম্যানচেস্টার সিটি তাদের প্রকৃত আয়ের চেয়ে কৃত্রিমভাবে বাজেট বহুগুণ বাড়িয়ে দেখায়। স্পনসরশিপের এই কারচুপির পাশাপাশি খেলোয়াড় ও কোচদের সঙ্গে গোপন চুক্তি এবং ইমেজ রাইটসের অর্থ গোপন করার বিষয়গুলো হিসাব করলে এই সময়কালে সিটির মোট আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৯২ কোটি পাউন্ডে।
Source: https://www.prothomalo.com/sports/football/z0l6lqjkis
প্রকাশক ও সম্পাদক : সুমন তানভীর
Copyright © 2026 প্রকাশ নিউজ. All rights reserved.