
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে নাজমা খাতুনের স্বামী আসলাম হোসেন ও তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে। আহত অপর ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানতে চাইলে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, আসলাম হোসেন স্ত্রী, শাশুড়ি, দুই ছেলেসহ ছয়জনকে নিয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক নিকটাত্মীয়ের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন। পথে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় এলাকায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডের খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই রোজী আক্তার ও নাজমা খাতুনের মৃত্যু হয়।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে নাজমা খাতুনের স্বামী আসলাম হোসেন ও তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে। আহত অপর ব্যক্তির পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার পর হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানতে চাইলে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমিনুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, আসলাম হোসেন স্ত্রী, শাশুড়ি, দুই ছেলেসহ ছয়জনকে নিয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে বান্দরবানের লামা উপজেলায় এক নিকটাত্মীয়ের কবর জিয়ারত করতে যাচ্ছিলেন। পথে বাড়বকুণ্ড বিদ্যুৎ বিতরণ কার্যালয় এলাকায় পৌঁছালে মাইক্রোবাসটি সড়কের পাশে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি ও বিলবোর্ডের খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই রোজী আক্তার ও নাজমা খাতুনের মৃত্যু হয়।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/i651ezm1tx