
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সাত ধাপে করার কথা গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছিলেন। আজ মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।এ সময় মীর শাহে আলম বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার বিষয়ে সরকার কিছু জানে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও কিছু জানে না। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সরকারের এ বিষয়ে কোনো চিঠি–চালাচালি হয়নি। অন্য কোনো মাধ্যমে আলোচনাও হয়নি।.সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন, প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর ও অন্যান্য খবর.নির্বাচন কমিশন স্বাধীন, তাদের নির্বাচন করার সাংবিধানিক ক্ষমতা আছে বলেও মন্তব্য করেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর তারিখ ঘোষণা করে। প্রস্তুতি সভা বা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা করা হয়। এতে বাজেটসহ বিভিন্ন বিষয় থাকে।মীর শাহে আলম বলনে, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং সরকারের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনো আলোচনা হয়নি। সরকার এ ব্যাপারে কিছু জানে না।এর আগে গতকাল সাত ধাপে ইউপি নির্বাচন করার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ নভেম্বর। এর মধ্য দিয়েই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন।.এই নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, প্রথম ধাপের নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপ ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপ ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপ আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপের ভোট গ্রহণের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে।এর আগে নির্বাচন কমিশন চলতি বছরের আগস্টে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার পরিকল্পনা করেছিল।গত জুনে জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তখনকার স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের পর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে পর্যায়ক্রমে দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে, তবে সেটি হয়নি।.স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচ্য নয়, আইনেও বাধ্যবাধকতা নেই: প্রতিমন্ত্রী