ব্যবসায়ীকে আটকে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, গ্রেপ্তার ৬

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: October 26, 2026

মামলার এজাহারে বলা হয়, তাঁদের কবল থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে রাখা ৭০ হাজার টাকা দেন। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে তাঁকে মারধর করেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করেন। পরে তাঁরা আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন। এরপর রাত তিনটার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কয়েক ভুক্তভোগীকে ওই বাসা থেকে নামিয়ে একটি সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স প্রাইভেট কারে তোলেন। পরে তাঁকে শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে নিয়ে গাড়িতে আটকে রাখা হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা চা খেতে গাড়ি থেকে নামলে ভুক্তভোগী পুলিশের গাড়ি দেখে লাফ দিয়ে নেমে শেরেবাংলা নগর থানা–পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে মোহাম্মদপুর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয়। এ সময় অভিযুক্ত জিয়াউল ইসলামের চালিত প্রাইভেট কারটিও জব্দ করা হয়। পরে ২৫ অক্টোবর সকাল সাতটার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন আল্লাহকরিম মসজিদের সামনে থেকে আনসার সদস্য সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, তাঁদের কবল থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে রাখা ৭০ হাজার টাকা দেন। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে তাঁকে মারধর করেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করেন। পরে তাঁরা আবারও ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী ব্যক্তি পরিবারের সদস্যদের ফোন করে টাকা সংগ্রহের চেষ্টা করেন। এরপর রাত তিনটার দিকে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কয়েক ভুক্তভোগীকে ওই বাসা থেকে নামিয়ে একটি সাদা রঙের টয়োটা প্রোবক্স প্রাইভেট কারে তোলেন। পরে তাঁকে শ্যামলীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের বিপরীত পাশে নিয়ে গাড়িতে আটকে রাখা হয়। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরা চা খেতে গাড়ি থেকে নামলে ভুক্তভোগী পুলিশের গাড়ি দেখে লাফ দিয়ে নেমে শেরেবাংলা নগর থানা–পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে মোহাম্মদপুর থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয়। এ সময় অভিযুক্ত জিয়াউল ইসলামের চালিত প্রাইভেট কারটিও জব্দ করা হয়। পরে ২৫ অক্টোবর সকাল সাতটার দিকে মোহাম্মদপুর থানাধীন আল্লাহকরিম মসজিদের সামনে থেকে আনসার সদস্য সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/kdnsdsnuw6