
ভাঙচুরের মধ্যেই চালক গাড়ি চালিয়ে সামনের দিকে যেতে থাকেন। এ সময় গাড়িটিকে ধাওয়া করে ভাঙচুর চালাতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন এক পুলিশ সদস্যকে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। গাড়িটি কিছুটা দূরে যাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের আঘাত করতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন যুবকদের কয়েকজনকে হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। এরপরও পুলিশ সদস্যদের পেটাতে থাকেন কয়েকজন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যান।
পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ বলেন, গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের একটি দল নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। দুপুরের দিকে পুলিশ সদস্যরা রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান। তাঁদের হাতে হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।
ভাঙচুরের মধ্যেই চালক গাড়ি চালিয়ে সামনের দিকে যেতে থাকেন। এ সময় গাড়িটিকে ধাওয়া করে ভাঙচুর চালাতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন এক পুলিশ সদস্যকে তাঁদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করতে দেখা যায়। গাড়িটি কিছুটা দূরে যাওয়ার পর পুলিশ সদস্যদের আঘাত করতে থাকেন ওই যুবকেরা। তখন যুবকদের কয়েকজনকে হামলাকারীদের থামানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। এরপরও পুলিশ সদস্যদের পেটাতে থাকেন কয়েকজন। একপর্যায়ে পুলিশ সদস্যরা দৌড়ে গিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যান।
পুলিশ সুপার হাবীবুল্লাহ বলেন, গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের একটি দল নিয়মিত টহল দিচ্ছিল। দুপুরের দিকে পুলিশ সদস্যরা রঘুনাথপুর ইউনিয়নের খেয়াঘাট এলাকায় গাড়ি থামিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে এসে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালান। তাঁদের হাতে হকিস্টিকসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশ সদস্যদের মারধর করেন।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/guofm3vvpa