
বাংলাদেশে নুডলস ঠিক কবে প্রথম আসে, তার সুনির্দিষ্ট তারিখ বলা কঠিন। তবে স্বাধীনতার পর সত্তর ও আশির দশকে শহরাঞ্চলের চায়নিজ রেস্তোরাঁগুলোর হাত ধরে মূলত সাধারণ মানুষের কাছে এর পরিচয় ঘটে। তখন রেস্তোরাঁর ‘চাউমিন’ ছিল একধরনের আভিজাত্য ও শৌখিনতার প্রতীক; সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে তার পৌঁছানো ছিল কল্পনাতীত। আশির দশকের শেষ ভাগে কোকোলা ফুড প্রোডাক্টস কাঠি বা স্টিক নুডলস বাজারে এনে প্রথম সাধারণ মানুষের কাছে নুডলস সহজলভ্য করে। তবে এ দেশের বাজার সত্যিকারের গতি পায় নব্বইয়ের দশকে বহুজাতিক কোম্পানি নেস্লের ‘ম্যাগি’ নুডলসের আগমনের পর। ‘মাত্র দুই মিনিটে তৈরি’—এই আকর্ষণীয় স্লোগান ও লোভনীয় মাসালা স্বাদের জোরে নুডলস দ্রুতই শহুরের ঘর ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রামের মুদিদোকানেও জায়গা করে নেয়।
সময়ের পরিক্রমায় নুডলস এখন আর কেবল বিকেলের নাশতা বা শিশুদের টিফিনে সীমাবদ্ধ নেই। কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ব্যস্ত জীবনের কারণে তা এখন প্রতিদিনের দ্রুততম প্রধান খাবারের বিকল্প। এই চাহিদা ধরে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে বিশাল নুডলসশিল্প। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে দেশে নুডলসের বাজার দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার, যা প্রতিবছর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। কারখানায় উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান এখন জড়িয়ে রয়েছে এই খাতের সঙ্গে। একসময়ের একচেটিয়া বাজার এখন অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। বহুজাতিক ব্র্যান্ডের পাশাপাশি প্রাণের ‘মি. নুডলস’, নিউজিল্যান্ড ডেইরির ‘ডুডলস’, স্কয়ারের ‘চপস্টিক’, মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ ও ইফাদ এগির মতো দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো এখন বেশ ভালো অবস্থান তৈরি করেছে। এমনকি দেশের বাজার ছাড়িয়ে বাংলাদেশি নুডলস এখন রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। দেশীয় রুচি ও ঝালের আকর্ষণের কথা ভেবে ব্র্যান্ডগুলো বাজারে এনেছে ‘নাগা ফ্লেভার’ ও ‘ম্যাজিক মাসালা’।
বাংলাদেশে নুডলস ঠিক কবে প্রথম আসে, তার সুনির্দিষ্ট তারিখ বলা কঠিন। তবে স্বাধীনতার পর সত্তর ও আশির দশকে শহরাঞ্চলের চায়নিজ রেস্তোরাঁগুলোর হাত ধরে মূলত সাধারণ মানুষের কাছে এর পরিচয় ঘটে। তখন রেস্তোরাঁর ‘চাউমিন’ ছিল একধরনের আভিজাত্য ও শৌখিনতার প্রতীক; সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে তার পৌঁছানো ছিল কল্পনাতীত। আশির দশকের শেষ ভাগে কোকোলা ফুড প্রোডাক্টস কাঠি বা স্টিক নুডলস বাজারে এনে প্রথম সাধারণ মানুষের কাছে নুডলস সহজলভ্য করে। তবে এ দেশের বাজার সত্যিকারের গতি পায় নব্বইয়ের দশকে বহুজাতিক কোম্পানি নেস্লের ‘ম্যাগি’ নুডলসের আগমনের পর। ‘মাত্র দুই মিনিটে তৈরি’—এই আকর্ষণীয় স্লোগান ও লোভনীয় মাসালা স্বাদের জোরে নুডলস দ্রুতই শহুরের ঘর ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রামের মুদিদোকানেও জায়গা করে নেয়।
সময়ের পরিক্রমায় নুডলস এখন আর কেবল বিকেলের নাশতা বা শিশুদের টিফিনে সীমাবদ্ধ নেই। কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ব্যস্ত জীবনের কারণে তা এখন প্রতিদিনের দ্রুততম প্রধান খাবারের বিকল্প। এই চাহিদা ধরে বাংলাদেশে গড়ে উঠেছে বিশাল নুডলসশিল্প। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে দেশে নুডলসের বাজার দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকার, যা প্রতিবছর ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। কারখানায় উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থান এখন জড়িয়ে রয়েছে এই খাতের সঙ্গে। একসময়ের একচেটিয়া বাজার এখন অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। বহুজাতিক ব্র্যান্ডের পাশাপাশি প্রাণের ‘মি. নুডলস’, নিউজিল্যান্ড ডেইরির ‘ডুডলস’, স্কয়ারের ‘চপস্টিক’, মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ ও ইফাদ এগির মতো দেশীয় ব্র্যান্ডগুলো এখন বেশ ভালো অবস্থান তৈরি করেছে। এমনকি দেশের বাজার ছাড়িয়ে বাংলাদেশি নুডলস এখন রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও। দেশীয় রুচি ও ঝালের আকর্ষণের কথা ভেবে ব্র্যান্ডগুলো বাজারে এনেছে ‘নাগা ফ্লেভার’ ও ‘ম্যাজিক মাসালা’।
Source: https://www.prothomalo.com/business/industry/2pi55kov3d